মাইকের গর্জন নেই, মিছিলের স্লোগান নেই, নেই সভা-সমাবেশের ভিড়। কয়েক দিনের উত্তপ্ত প্রচারের পর হঠাৎ করেই শান্ত হয়ে গেছে ঠাকুরগাঁও-১ আসন। এখন সবার চোখ আগামী ২৯ অক্টোবরের ভোটের দিকে, যেদিন উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে ঠিক হবে এই আসনের জনপ্রতিনিধি কে হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শেষ হয়েছে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা। যে এলাকা এত দিন স্লোগান আর মাইকের শব্দে মুখর ছিল, সেখানে এখন বিরাজ করছে থমথমে নীরবতা। প্রার্থীদের হাতে আর সময় নেই; এখন কেবল ভোটারদের রায়ের অপেক্ষা। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। উল্লেখ্য, এই আসনে নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষের চেয়ে কিছুটা বেশি। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। অর্থাৎ প্রায় প্রতি ১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬টিতেই থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা। এসব কেন্দ্রে বাড়তি সংখ্যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি শেষ। তাঁর ভাষ্য, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো পক্ষকেই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ফলাফল যার পক্ষেই যাক, সবাই তা মেনে নেবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব। এদিকে বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া জানান, ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রচার শেষ, প্রস্তুতিও সম্পন্ন। প্রার্থীরা এখন ফলাফলের প্রহর গুনছেন, আর সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা একটাই: শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া। ২৯ অক্টোবরের ভোটের পরই জানা যাবে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনপ্রতিনিধি কে হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শেষ হয়েছে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা। যে এলাকা এত দিন স্লোগান আর মাইকের শব্দে মুখর ছিল, সেখানে এখন বিরাজ করছে থমথমে নীরবতা। প্রার্থীদের হাতে আর সময় নেই; এখন কেবল ভোটারদের রায়ের অপেক্ষা। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। উল্লেখ্য, এই আসনে নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষের চেয়ে কিছুটা বেশি। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। অর্থাৎ প্রায় প্রতি ১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬টিতেই থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা। এসব কেন্দ্রে বাড়তি সংখ্যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি শেষ। তাঁর ভাষ্য, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো পক্ষকেই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ফলাফল যার পক্ষেই যাক, সবাই তা মেনে নেবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব। এদিকে বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া জানান, ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রচার শেষ, প্রস্তুতিও সম্পন্ন। প্রার্থীরা এখন ফলাফলের প্রহর গুনছেন, আর সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা একটাই: শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া। ২৯ অক্টোবরের ভোটের পরই জানা যাবে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনপ্রতিনিধি কে হচ্ছেন।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি